Friday, August 26, 2016

Some Important Proverbs
গুরুত্বপূর্ন কিছু প্রবাদ বাক্য

1. ইচ্ছা থাকলে উপায় হয় - Where there is the will, there is the way.
2. এক হাতে তালি বাজে না - It takes two to make a quarrel.
3. মানুষ ভাবে এক হয় আর এক - Man proposes, God disposes.
4. সস্তার তিন অবস্থা - Penny wise pound foolish.
5. আয় বুঝে ব্যয় কর - Cut your coat accourding to your cloth.
6. নাস্তে না জানলে উঠান বাঁকা - A bad workman quarrels with his tools.
7. যত গর্জে ততো বর্ষে না - Barking dogs seldom bite.
8. ভিক্ষার চাল কাঁড়া আর আকাঁড়া - Beggars must not be chooses.
9. যে বনে বাঘ নেই সে বনে শেয়ালই রাজা - A dog is a lion in his lane.
10. বৃক্ষের ফলে পরিচয় - A tree is known by its fruit.
11. একতাই শক্তি - Union is dtrength.
12. খালি কলস বাজে বেশী - Empty vessels sound much.
13. যেমন কর্ম তেমন ফল - As you so, so shall you reap.
14. নিজের চরকায় তেল দাও - Mind your own business.
15. সব জিনিসেরই সময় আছে - There is time for everything.
16. আঙ্গুর ফল টক - Grapes are sour.
17. সব ভাল যার শেষ ভালো তার - All's well that ends well.
18. কাঁটা ‍দিয়ে কাঁটা তোল - One nail drives another.
19. চোরে চোরে মাসতুতো ভাই - Birds of the same feather flock together.
20. ঘষতে ঘষতেই ধার ওঠে - Practice makes perfect.
21. মুক্তা থাকে অতল জলে - Truth lies at the bottom of a well.
22. নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভাল - Something is better than nothing.
23. স্বাস্থই সম্পদ - Health is wealth.
24. যেখানে যেমন - While in Rome do as Romans do.
25. একের ধন কেড়ে অপরকে দান করা - To rob peter to pay paul.
26. কষ্ট না করলে কেষ্ট মেলে না - NO pains, No gains.
27. অতি বিশ্বাসীর খেসারৎ অনেক - Quick believers need board shoulders.
28. ভাবিয়া করিও কাজ - Look before you leap.
29. এক মিথ্যা ঢাকতে অন্য মিথ্যার আশ্রয় নিতে হয় - One lie leads to another.
30. যে নিজে ভাল, তার দুনিয়ার সকলকেই ভাল লাগে - To the good the world appears to be good.
31. চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে - After death comes the doctor.
32. জগতে সকলেই সমান হয় না - It takes all sorts to make a world.
33. অধিক সন্ন্যাসীতে পাগন নষ্ট - Too many cooks spil the borth.
34. ঘরপোড়া গরু সিঁদুর মেঘ দেখলে ভয় পায় - A burnt child dreads the fire.

Saturday, February 15, 2014

মুসলমানদের আবিস্কার ।
কম্পাস ( দিকদর্শন )

কম্পাস/দিকদর্শন  নৌ - পরিবহন ও সমুদ্রে জাহাজ পরিচালনায় বিপ্লব আনে । চীনা উৎস থেকে একে সামুদ্রিক জাহাজে কর্মোপযোগী করে তোলে । মুসলিম বিজ্ঞানীরা প্রথম কম্পাসে চৌস্বকীয় সুঁই ব্যবহার করেন কেবলা নির্ণয়ের জন্যে । মূলতঃ ইয়েমেনের বাদশা আল - আশরাফের আমলে ১২৮২ খ্রীষ্টাব্দে কম্পাসে আবিস্কৃত হয় ।


মুসলমানদের আবিস্কার ।
ফাউন্টেন পেন ( ঝরনা কলম )

ঐতিহাসিক দলিলে প্রমাণ পাওয়া যায়, বিশ্বের প্রথম ফাউন্টেন পেন বা ঝরনা কলম তৈরি হয় ৯৫৩ খ্রীষ্দাব্দে, মিশরে । মিশরের সম্রাট মা’দ আল-মুয়িজ এমন একটি কলম এর চিন্তা করলেন যা হাত এবং কাপড় কালিতে নষ্ট করবে না । আবিস্কৃত এই কলমে আধুনিক কলমের মত কালি জমা থাকতো এবং মাধ্যাকর্ষণ শক্তির সাহায্যে সূক্ষ নল চুয়ে কালি বের হতো । কাদি আল -নুমান আল তামিমি ( ৯৭৪ খ্রীষ্টাব্দ ) এবং কিতাব আল - মাজালিস ওয়া - মুসাইয়ার্দ - তে এর বিস্তৃত বিবরণ রয়েছে ।


Tuesday, February 11, 2014

মুসলমানদের আবিস্কার 
বীজগণিত

Algebra ( আল-জেবরা ) শব্দটি এসেছে আরবি শব্দ al-jebr থেকে যার অর্থ ভাঙা অংশগুলোকে জোড়া লাগানো । বীজগণিতের উদ্ভব হয় গিণিতবিদ মুসা আল - খোয়ারিজমির হাত ধরে । ৮২৫ খ্রীষ্টাব্দে বাগদাদের ‘বাইতুল হিক্‌মা’য় কর্মরত অবস্থায় লেখা ‘কিতাব আল জাবর ওয়াল মুকাবিলা’ বই-এ তিনি সর্বপ্রথম রৈখিক বীজগণিতের ধারণার অবতারণা করেন । মুসা  আল - খেয়ারিজমির পরে আল খারাজী বীজগণিতের প্রভূত উন্নতি ঘটান ।
তিনি বীজগণিতকে জ্যামিতিক অপারেশন থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করেন । পরবর্তিতে তিনি সূচনা করেন পাটিগণিতের , যা কিনা আধুনিক বীজগণিতের মূল হিসেবে বিবেচিত হয় ।
মুসলমানদের আবিস্কার
ক্যামেরা অবস্‌কিউরা

ফটোগ্রা্ফি ব্যাপারটি জানার আগেই মানুষ দেয়ালে বা কাগজের টুকরাতে ছবি আঁকতে জানতো । ফটোগ্রাফির কয়েক শতাব্দি আগেই ছবিকে কাগজের মাধ্যমে প্রকাশ করার ব্যবস্থাপনা করা হয় যাকে ক্য্যামেরা অবস্‌কিউরা ( ল্যাটিন শব্দ Camera Obscura ) বলা হয় ।
ধারণা করা হয় এর উদ্ভাবন হয় ৩ থেকে ১৪ শতাব্দীতে ।
 তবে দশম শতাব্দিতে মুসলিম গণিতবিদ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও পদার্থবিদ ইবনে আল-হিশাস প্রথম ক্র্যামেরা অবস্‌কিউরার কর্যপ্রণালী ব্যাখ্যা করেন, যা মূলতঃ বর্তমান এনালগ ক্যামেরার ভিত্তি ।
 বর্তমান এনালগ ক্যামেরা আর ক্যামেরা অবস্‌কিউরার মধ্যে ম্যূল পার্থক্য হলো সেখানে দেয়ালে প্রতিবিম্ব তৈরি হতো আর এনালগ ক্যামেরায় ফিল্ম প্রতিবিম্ব তৈরি করে । ইবনে আল - হিশামই প্রথম পিনহোল ক্যামেরা আবিস্কার করেন ।


মুসলমানদের আবিস্কার ।
ঘড়ি


সূর্য ঘড়ি, মোমবাতি ঘড়ি, বালি ঘড়ি, জল ঘড়ি এর্ং স্বয়ংক্রিয় ঘড়ি - এই হচ্ছে ঘড়ির ইতিহাস ।
বিশ্বাস করা হয় যে, ১৪ শতাব্দী পূর্বে একমাত্র জল ঘড়িরই অস্তিত্ব ছিল । ১৩৩৫ খ্রীষ্টাব্দে ইতালির মিলানে প্রথম বড় আকৃতির যান্ত্রিক ঘড়ি তৈরি হয় । এরপর স্প্যানিশ মুসলিম প্রকৌশলীরা ওজন/ভরচালিত বড়
ও ছোট আকৃতির  ঘড়ি আবিষ্কার করেন ।
ইসলামি প্রকৌশলের বইগুলো ল্যাটিন ভাষায় অনুবাদের ফলে এর ধারণা ইউরোপ  জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে । ১২৭৭ খ্রীষ্টাব্দে প্রথম শিশাচালিত যান্ত্রিক ঘড়ি আকিষ্কার করে ইবনে খালাফ আল মুরাদি । তুর্কি প্রকৌশলী তাকী আদ্‌দীন তাঁর আল-কাওয়াকিব আদ্‌দুররীর ( ১৫৫৬-১৫৫৯ ) নামক বইয়ে এর ওজনচালিত চন্দ্র ঘড়ির প্রস্ততপ্রণালী বর্ণনা করেন ।

মুসলমানদের আবিস্কার ।
ইঞ্জিনিয়ারিং

জ্যামিতিক ফর্মে মসজিদের দেয়াল সাজানোর ধারণাটি ইদ্ভাবন করেন মুসলিম প্রকৌশলীরা । এরাবিস্ক নামের এই শিল্পমাধ্যমটি পরে সমজিদ ছাড়াও ব্যবহুত হতে থাকে অন্যান্য স্থাপনায়ও ।

ইসলামী স্থাপত্যশিল্পের একটি উল্লেখযোরগ্য
সংযোজন হচ্ছে মিনার, যা বিশেষ করে র্ব্যবহুত হয় সমজিদে । ইসলামের সূচনা পর্বে এর উদ্ভাবন হয় ।
সমসাময়িক বিশ্বে সবচেয়ে বড়ো মিনারটি হচ্ছে ১২০০ শতাব্দীতে নির্মিত কুতুব মিনার, যা উচ্চতায় ২৩৭.৯ ফুট ।




 পৃথিবীর প্রথম সত্যিকারের উইন্ডমিলটি নবম শতাব্দীতে ঘুরেছিল পূর্ব পারসিয়াতে, হরিজেন্টাল প্লেনের ওপর এবং ভার্টিকাল একসিসের চারদিকে । এই উইন্ডমিলগুলো ব্যবহার করা হতো শষ্য পেষা এবং পানি উত্তোলনের কাজে । এর ব্যাবহার এই সময় মধ্যপ্রাচ্য, মধ্য এশিয়া এবং আরো পরে চীন এবং ভারতে ছড়িয়ে পড়ে । ১৩০০ শতাব্দীতে উইন্ডমিলের ধারণাটি যায় ইউরোপে । পরবর্তীতে সেখানকার শিল্পখাতে এর ব্যবহার বেড়ে যায় বহুগুণ ।